জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ, মহিপুরকে উপজেলা ঘোষণা ও দক্ষিণাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নের দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ
দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও মহিপুরকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে কলাপাড়ায় ৩০ কিলোমিটার মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৮:১১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ এবং পটুয়াখালীর মহিপুর থানাকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে কলাপাড়া, মহিপুর ও কুয়াকাটা এলাকায় প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মহিপুর থানা নাগরিক সমাজের উদ্যোগে হাজীপুর-সোনাতলা সেতু থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কজুড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে কলাপাড়া উপজেলা, মহিপুর থানা ও কুয়াকাটা এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়ে মানববন্ধন ও মানবচেইন গড়ে তোলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবহেলিত। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন অবকাঠামো, শিল্পায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন নিশ্চিত হলে জাতীয় অর্থনীতিতে এ অঞ্চলের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে।
মানববন্ধন থেকে উত্থাপিত দাবির মধ্যে রয়েছে— ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ছয় লেন মহাসড়ক নির্মাণ, কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, পায়রা বন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ, ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং মহিপুর থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা।
বক্তারা বলেন, মহিপুরকে উপজেলা ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পর্যটননগরী কুয়াকাটার উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।
হাজীপুর-সোনাতলা সেতু থেকে লতাচাপলী তুলাতলী বাস টার্মিনাল পর্যন্ত মহাসড়কে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবিগুলো বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শেষে মানববন্ধন থেকে জাতীয় বাজেটে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং উত্থাপিত সব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়।














