সালথায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান; আদালতে পাঠানো হয়েছে অভিযুক্ত নারীকে, তদন্ত চলমান
ফরিদপুরে প্রবাসী স্বামীর পাঠানো টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার, তদন্তে নেমেছে পুলিশ
- আপডেট সময় : ১০:০২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর | ২৯ জুন ২০২৬: ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় প্রবাসী স্বামীর পাঠানো অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া রমিজা সুলতানা আন্না মধুখালী উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের কামালদিয়া গ্রামের ইয়াসিন মোল্লার মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের জননী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের এক প্রবাসী দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। পরিবারের ভরণপোষণ, ভবিষ্যৎ সঞ্চয় এবং সংসারের ব্যয় নির্বাহের জন্য তিনি নিয়মিত স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রবাসীর পাঠানো অর্থের একটি বড় অংশ পরিবারের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় না করে ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাসে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগও রয়েছে। তবে এ বিষয়টি তদন্তাধীন এবং এ বিষয়ে আদালতের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
দেশে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ওই প্রবাসী সালথা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ জানায়, তদন্তে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার পর রমিজা সুলতানা আন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সালথা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান তালুকদার জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের আলোকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত নারীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।














