দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ ফল চাষ ও পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে কৃষি বিভাগের আয়োজন
আমতলীতে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত: দেশীয় ফল চাষ ও নিরাপদ পুষ্টি নিশ্চিতের আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৬:২৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

2. Write News (WordPress SEO Optimized)
‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার আমতলী উপজেলায় জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশীয় মৌসুমি ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা এবং জনসাধারণের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলায় আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, পেয়ারা, আনারস, কলা, পেঁপে, মাল্টা, ড্রাগন ফলসহ দেশীয় ও বিদেশি বিভিন্ন জাতের ফল প্রদর্শন করা হয়। স্থানীয় কৃষক, ফলচাষি, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মেলাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেলের সভাপতিত্বে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার মো. আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দিন ফকির, উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী, বিআরডিবির কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম, বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, সমবায় কর্মকর্তা মো. আজাদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন আমতলী পৌর শাখার সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মো. মহসীন মাতুব্বর, সাংবাদিক মো. আবু জিয়াদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় ফলের উৎপাদন ও ভোগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। তিনি কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপদ, বিষমুক্ত ও মানসম্মত ফল উৎপাদনের আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, সরকারের প্রণোদনা ও কৃষি বিভাগের কারিগরি সহায়তার ফলে দিন দিন ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। নতুন নতুন ফলের বাগান গড়ে উঠছে, যা দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, এ ধরনের ফল মেলা কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং আধুনিক ফল চাষ, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন ও ফল সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন দেশীয় ফল উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় বাড়ানো এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।














