ফরিদপুরের সালথায় ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; প্রেমের বিয়ের চার মাস পর তরুণীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ।
সালথায় প্রেমের ৪ মাসের মাথায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; তদন্তে পুলিশ
- আপডেট সময় : ০৮:৪১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

সালথা, ফরিদপুর | ২০ জুন ২০২৬ : ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় প্রেমের বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় লাইজু আক্তার (২৪) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিজ ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শুক্রবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের যুগিডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাইজু আক্তার একই গ্রামের মুকুল মোল্যা (৩৫)-এর স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময় পরিচয়ের মাধ্যমে লাইজু আক্তার ও মুকুল মোল্যার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে দুই পরিবারের সম্মতিতে প্রায় চার মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই তাদের সংসার জীবন চলছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
স্বামী মুকুল মোল্যা জানান, তাদের মধ্যে কোনো ধরনের পারিবারিক কলহ বা দাম্পত্য বিরোধ ছিল না। হঠাৎ করে স্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত কেন নিলেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শুক্রবার সকালে লাইজু আক্তারকে নিজ ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হলেও তাদের সংসারে বড় ধরনের কোনো সমস্যার কথা কেউ জানতেন না। ফলে তরুণীর এই আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রেমের বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই এক তরুণীর এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।














