শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও স্টার্টআপভিত্তিক প্রতিযোগিতা
হরিরামপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং অনুষ্ঠিত, প্রথম ফিরোজা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জ, ১২ জুন ২০২৬: শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণামনস্কতা এবং উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং” প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (SEDP)-এর আওতায় “এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS)” এর উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা আক্তার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার কামরুল ইসলাম।
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হানিফ। এ সময় বক্তব্য রাখেন সরকারি বিচারপতি নূরুল ইসলাম মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ মো. শাহিনূর রশীদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও প্রতিনিধিরা।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষকের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান এবং উদ্যোক্তা বিষয়ক বিভিন্ন নতুন ধারণা উপস্থাপন করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান যুগে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং” কর্মসূচি তাদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ এবং উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতা শেষে সেরা উদ্ভাবনী প্রকল্প ও উপস্থাপনার ভিত্তিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে ফিরোজা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ প্রথম স্থান অর্জন করেন। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পাটগ্রাম অনাথ বন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে ঝিটকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক ও উদ্ভাবনী দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।














