জেলার ৪৮টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্রেড ইউনিয়নকে শক্তিশালী করে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান
নোয়াখালীতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ট্রেড ইউনিয়ন সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৩:০৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী | ৬ জুন ২০২৬ : বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নোয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা ট্রেড ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনে জেলার ৪৮টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্রেড ইউনিয়নকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি মেহনতি শ্রমজীবী মানুষকে ইসলামী শ্রমনীতিভিত্তিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।
শনিবার (৬ জুন) নোয়াখালীর মাইজদীস্থ নবাব কনভেনশন হলে আয়োজিত এ সদস্য সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল আলম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রেদওয়ানুল হক।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, “দেশের শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, কর্মক্ষেত্রে মানবিক পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নে ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে আরও কার্যকর ও সংগঠিত ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলার ৪৮টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্রেড ইউনিয়নকে শক্তিশালী করে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করতে হবে।”
বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক এস.এম. লুৎফর রহমান। তিনি শ্রমিকদের নৈতিকতা, পেশাগত দক্ষতা ও সাংগঠনিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা শাখার সহ-সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া, শাহ মিজানুর মামুন, ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম ও নুরুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী, জিয়া উদ্দিন ফয়সাল, নুরুল হুদা মিলন, নুরুল্লাহ, অ্যাডভোকেট তাকরির, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী শহীদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনে অলি উল্যা ইয়াছিন, মাহবুবুর রহমান রিয়াজ, মমিন উল্যাহ, জিয়াউল হক এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা শাখার সভাপতিরাও বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, শ্রমিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক শ্রম আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলন শেষে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।














