রাজশাহী কলেজের সামনে বিভাগীয় মানববন্ধনে ৪ দফা দাবি তুলে ধরলেন সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীরা
রাজশাহীতে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের মানববন্ধন, চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ৪ দফা দাবি
- আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী | ২৩ মে ২০২৬ : সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিতকরণ ও রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে রাজশাহীতে বিভাগীয় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজশাহী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে ‘সরকারি কলেজ বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন, রাজশাহী বিভাগ’-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় রাজশাহী কলেজ প্রশাসন ভবনের সামনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একত্রিত হন। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় সেখান থেকে মানববন্ধনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা।
মানববন্ধন শেষে শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণকারীরা রাজশাহী কলেজের ১৭ নম্বর গ্যালারি হাজী মুহম্মদ মহসিন ভবনে সমবেত হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও বিভাগীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারি কলেজ বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন, রাজশাহী বিভাগের সভাপতি মো. এহসানুল কবীর ইমন। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. মাঈন উদ্দিন আহম্মেদ।
মানববন্ধনে আন্দোলনরত কর্মচারীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে।
২. চাকরি নিয়মিতকরণের আগ পর্যন্ত সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি প্রদান করতে হবে।
৩. দীর্ঘদিন অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের বাইরে নতুন নিয়োগ বন্ধ করে কর্মরতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে।
৪. অস্থায়ী কর্মচারীদের ছাঁটাই বন্ধ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা জানান, দেশের ৩৩০টি পুরাতন সরকারি কলেজে তারা ১ থেকে ৩৬ বছর ধরে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের মাধ্যমে নিয়োগ পেলেও তাদের চাকরি এখনো রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন সরকারি দায়িত্ব পালন করেও তারা ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অনেক কর্মচারীর বয়স সরকারি চাকরির নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে। সামান্য বেতনে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম সুইট, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, মো. মোখলেছুর রহমান, মো. আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, মো. মোতালেব হোসেন পাপ্পু, মো. নুরুল আমিন, মো. আবুল বাসার, মো. সুমন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. বদিউজ্জামান নয়ন, উপদেষ্টা মো. আলফাজ হোসেনসহ আরও অনেকে।




















