চট্টগ্রাম ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকায় সীমিত প্রতিরক্ষা কাজ, অতিরিক্ত জিওব্যাগ ফেলার দাবিতে ভুক্তভোগীদের আহ্বান

মানিকগঞ্জে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: বর্ষায় তৎপরতা, সারা বছর উদাসীনতার অভিযোগ

মোঃ জামিল বিশ্বাস
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানিকগঞ্জ | ১৭ মে ২০২৬ : বর্ষার মৌসুম শুরু না হতেই মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মালচী–কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকাজুড়ে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা এলে সাময়িক তৎপরতা দেখা গেলেও বছরের বাকি সময়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকায় ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে।

বর্তমানে কুশিয়ারচর (কালিতলা) পদ্মাপাড়ে প্রায় ৬০ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। তবে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি—এই সীমিত কাজের বাইরে জরুরি ভিত্তিতে আরও জিওব্যাগ ফেলা না হলে বহু বসতভিটা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

ভুক্তভোগী লিপি আক্তার বলেন, “আমার বাড়ি ইতোমধ্যে তিন দফা ভাঙনের শিকার হয়েছে। এখন শেষ সম্বল ভিটেমাটি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। ৬০ মিটারের কাজের বাইরে আরও জিওব্যাগ ফেললে হয়তো আমার বাড়িটুকু বাঁচানো যেত।”

তিনি দ্রুত ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান প্রতিরক্ষামূলক কাজের অদূরেই লিপি আক্তারের বসতভিটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। একইভাবে আশপাশের অনেক পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
কুশিয়ারচর এলাকার কলেজশিক্ষার্থী শাকিল গাজী জানান, “পদ্মার ভাঙন দিন দিন বাড়ছে। চলমান কাজের বাইরেও বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।”

এ বিষয়ে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কেবল বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর সীমিত তৎপরতা দেখা যায়; কিন্তু সারা বছর টেকসই পরিকল্পনা ও নজরদারির অভাবে প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বর্ষা শুরুর আগেই ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকায় সীমিত প্রতিরক্ষা কাজ, অতিরিক্ত জিওব্যাগ ফেলার দাবিতে ভুক্তভোগীদের আহ্বান

মানিকগঞ্জে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: বর্ষায় তৎপরতা, সারা বছর উদাসীনতার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

মানিকগঞ্জ | ১৭ মে ২০২৬ : বর্ষার মৌসুম শুরু না হতেই মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মালচী–কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকাজুড়ে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা এলে সাময়িক তৎপরতা দেখা গেলেও বছরের বাকি সময়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকায় ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে।

বর্তমানে কুশিয়ারচর (কালিতলা) পদ্মাপাড়ে প্রায় ৬০ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। তবে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি—এই সীমিত কাজের বাইরে জরুরি ভিত্তিতে আরও জিওব্যাগ ফেলা না হলে বহু বসতভিটা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

ভুক্তভোগী লিপি আক্তার বলেন, “আমার বাড়ি ইতোমধ্যে তিন দফা ভাঙনের শিকার হয়েছে। এখন শেষ সম্বল ভিটেমাটি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। ৬০ মিটারের কাজের বাইরে আরও জিওব্যাগ ফেললে হয়তো আমার বাড়িটুকু বাঁচানো যেত।”

তিনি দ্রুত ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান প্রতিরক্ষামূলক কাজের অদূরেই লিপি আক্তারের বসতভিটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। একইভাবে আশপাশের অনেক পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
কুশিয়ারচর এলাকার কলেজশিক্ষার্থী শাকিল গাজী জানান, “পদ্মার ভাঙন দিন দিন বাড়ছে। চলমান কাজের বাইরেও বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।”

এ বিষয়ে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কেবল বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর সীমিত তৎপরতা দেখা যায়; কিন্তু সারা বছর টেকসই পরিকল্পনা ও নজরদারির অভাবে প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বর্ষা শুরুর আগেই ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।