কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকায় সীমিত প্রতিরক্ষা কাজ, অতিরিক্ত জিওব্যাগ ফেলার দাবিতে ভুক্তভোগীদের আহ্বান
মানিকগঞ্জে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: বর্ষায় তৎপরতা, সারা বছর উদাসীনতার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জ | ১৭ মে ২০২৬ : বর্ষার মৌসুম শুরু না হতেই মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মালচী–কুশিয়ারচর (কালিতলা) এলাকাজুড়ে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা এলে সাময়িক তৎপরতা দেখা গেলেও বছরের বাকি সময়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকায় ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে।
বর্তমানে কুশিয়ারচর (কালিতলা) পদ্মাপাড়ে প্রায় ৬০ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। তবে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি—এই সীমিত কাজের বাইরে জরুরি ভিত্তিতে আরও জিওব্যাগ ফেলা না হলে বহু বসতভিটা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।
ভুক্তভোগী লিপি আক্তার বলেন, “আমার বাড়ি ইতোমধ্যে তিন দফা ভাঙনের শিকার হয়েছে। এখন শেষ সম্বল ভিটেমাটি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। ৬০ মিটারের কাজের বাইরে আরও জিওব্যাগ ফেললে হয়তো আমার বাড়িটুকু বাঁচানো যেত।”
তিনি দ্রুত ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান প্রতিরক্ষামূলক কাজের অদূরেই লিপি আক্তারের বসতভিটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। একইভাবে আশপাশের অনেক পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
কুশিয়ারচর এলাকার কলেজশিক্ষার্থী শাকিল গাজী জানান, “পদ্মার ভাঙন দিন দিন বাড়ছে। চলমান কাজের বাইরেও বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কেবল বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর সীমিত তৎপরতা দেখা যায়; কিন্তু সারা বছর টেকসই পরিকল্পনা ও নজরদারির অভাবে প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বর্ষা শুরুর আগেই ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।














