চট্টগ্রাম ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
নেত্রকোণায় জমি বিরোধে হামলা-হুমকি, নষ্ট করা হলো আমনের চারা শিবচরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি, উঠল ঐক্যের ডাক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কটিয়াদীতে দুই দফায় র‌্যালি-সমাবেশ কুসরকের নতুন কমিটি প্রকাশ, নেতৃত্বে নাহিদ-জাকারিয়া ওষুধে মেয়াদ শেষ, খাবার তৈরিতে অনিয়ম; খুলনায় বড় অঙ্কের জরিমানা নাগেশ্বরীতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার নানা আয়োজনে হরিরামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ৭ হাজার একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে কার্যক্রম শুরু বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন

সংগ্রামই মানুষকে করে বাস্তববাদী ও মানবিক—বিশেষজ্ঞদের মতামত

সুখ নয়, সংগ্রামই মানুষকে শক্ত করে — রাজিবুল করিম রোমিও

মো.আরফান আলী
  • আপডেট সময় : ১০:০০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“একটু অভাবে বড় হওয়াই ভালো”—এমন এক গভীর জীবনবোধসম্পন্ন বক্তব্য দিয়েছেন লেখক রাজিবুল করিম রোমিও, যা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার এই ভাবনা কেবল একটি উক্তি নয়, বরং মানুষের জীবন ও অভিজ্ঞতার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

জীবনের পথচলায় স্বাচ্ছন্দ্য যেমন মানুষকে নিরাপদ রাখে, তেমনি অভাব ও সংগ্রাম মানুষকে বাস্তবতা শেখায়। যারা শৈশব বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অভাবের মধ্যে দিয়ে বড় হয়, তারা খুব কাছ থেকে কষ্ট, ক্ষুধা, অপমান ও বঞ্চনার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। এই অভিজ্ঞতাই তাদের মনকে করে তোলে সংবেদনশীল এবং সহানুভূতিশীল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অভাব মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে। একজন অভাবী মানুষ সহজেই অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করতে পারে। কারণ সে জানে, কষ্ট কাকে বলে। ফলে সমাজে মানবিকতা ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই প্রসঙ্গে লেখক উল্লেখ করেন, “যার পেটে ক্ষুধার জ্বালা লেগেছে, সে অন্যের খালি থালা দেখে চুপ থাকতে পারে না।” এই বক্তব্যটি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে—অভাব মানুষকে শুধু শক্তই করে না, বরং তাকে করে মানবিক।

এছাড়া, অভাব মানুষের জন্য এক ধরনের ‘মানুষ চেনার মাপকাঠি’ হিসেবেও কাজ করে। সুসময়ে যারা পাশে থাকে, তাদের আসল পরিচয় বোঝা যায় দুঃসময়ে। এই বাস্তবতা সমাজে সম্পর্কের গভীরতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা আরও বলেন, অভাব মানুষকে কৃতজ্ঞ হতে শেখায়। ছোট ছোট জিনিস—এক টুকরো খাবার, বিশুদ্ধ পানি কিংবা একটি নিরাপদ আশ্রয়—এসবের মূল্য উপলব্ধি করতে পারে কেবল সেই ব্যক্তি, যিনি কখনো এগুলোর অভাব অনুভব করেছেন।

অন্যদিকে, যারা সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে ওঠে, তাদের অনেকেই জীবনের কঠিন দিকগুলো সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যায়। ফলে তাদের মধ্যে সহানুভূতি ও বাস্তববোধ তুলনামূলক কম দেখা যায়।

সামাজিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, অভাব মানুষকে ভেতর থেকে পরিণত করে। যেমন সোনা আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়, তেমনি মানুষও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আরও শক্তিশালী, বাস্তববাদী এবং মানবিক হয়ে ওঠে।

এই উপলব্ধির আলোকে বলা যায়—অভাব শুধু কষ্ট নয়, এটি এক ধরনের শিক্ষা, যা মানুষকে জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সাহায্য করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংগ্রামই মানুষকে করে বাস্তববাদী ও মানবিক—বিশেষজ্ঞদের মতামত

সুখ নয়, সংগ্রামই মানুষকে শক্ত করে — রাজিবুল করিম রোমিও

আপডেট সময় : ১০:০০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

“একটু অভাবে বড় হওয়াই ভালো”—এমন এক গভীর জীবনবোধসম্পন্ন বক্তব্য দিয়েছেন লেখক রাজিবুল করিম রোমিও, যা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তার এই ভাবনা কেবল একটি উক্তি নয়, বরং মানুষের জীবন ও অভিজ্ঞতার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

জীবনের পথচলায় স্বাচ্ছন্দ্য যেমন মানুষকে নিরাপদ রাখে, তেমনি অভাব ও সংগ্রাম মানুষকে বাস্তবতা শেখায়। যারা শৈশব বা জীবনের কোনো পর্যায়ে অভাবের মধ্যে দিয়ে বড় হয়, তারা খুব কাছ থেকে কষ্ট, ক্ষুধা, অপমান ও বঞ্চনার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। এই অভিজ্ঞতাই তাদের মনকে করে তোলে সংবেদনশীল এবং সহানুভূতিশীল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অভাব মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে। একজন অভাবী মানুষ সহজেই অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করতে পারে। কারণ সে জানে, কষ্ট কাকে বলে। ফলে সমাজে মানবিকতা ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই প্রসঙ্গে লেখক উল্লেখ করেন, “যার পেটে ক্ষুধার জ্বালা লেগেছে, সে অন্যের খালি থালা দেখে চুপ থাকতে পারে না।” এই বক্তব্যটি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে—অভাব মানুষকে শুধু শক্তই করে না, বরং তাকে করে মানবিক।

এছাড়া, অভাব মানুষের জন্য এক ধরনের ‘মানুষ চেনার মাপকাঠি’ হিসেবেও কাজ করে। সুসময়ে যারা পাশে থাকে, তাদের আসল পরিচয় বোঝা যায় দুঃসময়ে। এই বাস্তবতা সমাজে সম্পর্কের গভীরতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা আরও বলেন, অভাব মানুষকে কৃতজ্ঞ হতে শেখায়। ছোট ছোট জিনিস—এক টুকরো খাবার, বিশুদ্ধ পানি কিংবা একটি নিরাপদ আশ্রয়—এসবের মূল্য উপলব্ধি করতে পারে কেবল সেই ব্যক্তি, যিনি কখনো এগুলোর অভাব অনুভব করেছেন।

অন্যদিকে, যারা সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে ওঠে, তাদের অনেকেই জীবনের কঠিন দিকগুলো সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যায়। ফলে তাদের মধ্যে সহানুভূতি ও বাস্তববোধ তুলনামূলক কম দেখা যায়।

সামাজিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, অভাব মানুষকে ভেতর থেকে পরিণত করে। যেমন সোনা আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়, তেমনি মানুষও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আরও শক্তিশালী, বাস্তববাদী এবং মানবিক হয়ে ওঠে।

এই উপলব্ধির আলোকে বলা যায়—অভাব শুধু কষ্ট নয়, এটি এক ধরনের শিক্ষা, যা মানুষকে জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সাহায্য করে।