দীর্ঘদিন পর চালু হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা
১০০ দিনের প্রতিশ্রুতি পূরণ: সচল হলো টেকনাফ বন্দর, উখিয়া-টেকনাফে নতুন সম্ভাবনা
- আপডেট সময় : ১২:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সচল হলো কক্সবাজারের টেকনাফ বন্দর। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিনের মধ্যেই বন্দর চালুর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) নৌ পরিবহন মন্ত্রী সরেজমিনে বন্দর এলাকা পরিদর্শন করে আনুষ্ঠানিকভাবে টেকনাফ বন্দরের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এই বন্দর আবারও চালু হলো।
নির্বাচনী প্রচারণাকালে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ঘোষণা দিয়েছিলেন, নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে টেকনাফ বন্দর সচল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বন্দর চালু হওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসবে এবং সীমান্ত বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টেকনাফ বন্দর সচল হওয়া জাতীয় অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বেকারত্ব কমাতে সহায়ক হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া
টেকনাফ বাজারের ব্যবসায়ী আবদুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন বন্দর বন্ধ থাকায় ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছিল। এখন বন্দর চালু হওয়ায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন তারা।
আরেক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, সীমান্ত বাণিজ্য বাড়লে ছোট ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন। তবে তিনি নিয়মিত ও সুষ্ঠু পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংসদ সদস্যের বক্তব্য
সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “উখিয়া-টেকনাফবাসীর দোয়া ও সমর্থনই আমার প্রধান শক্তি। আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভবিষ্যতেও এ অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করে যাব।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বন্দর সচল হওয়াকে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে এর কার্যক্রম টেকসই ও গতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।














