মাদারীপুরে ৩৮১ ভোটকেন্দ্রে পৌঁছেছে ব্যালটসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেও জোরদার নিরাপত্তা
মাদারীপুরের ৩টি আসনে পৌঁছেছে ব্যালটসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেও জোরদার নিরাপত্তা
- আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

মাহামুদুল হাসান |
মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুর জেলা: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের জন্য মাদারীপুরের ৫টি উপজেলার ৩৮১টি ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো
হয়েছে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স এবং অন্যান্য নির্বাচনি সরঞ্জাম। ভোটকেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ২২৪ এবং সাধারণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৭। নির্বাচনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, যাতে ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ২৫ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ১১,৩৫,৫৮২ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫,৮৭,৭১২ জন এবং নারী ভোটার ৫,৪৭,৮৫৮ জন। এছাড়া ১২ জন তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটারও ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা নির্বাচনী কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হচ্ছেন, যাতে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ৩ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ৩ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১০ জন লাঠিধারী আনসার মোতায়েন থাকবেন।
সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ২ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ২ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১১ জন লাঠিধারী আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।
মাদারীপুর জেলায় প্রায় ৬০০ সেনাসদস্য টহল ও নির্বাচনি নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি উপজেলায় ১০০ জন সেনা মোতায়েন থাকবেন, এবং মাদারীপুর সদর উপজেলায় অতিরিক্ত ২০০ জন সেনা সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।
এছাড়া ৬ প্লাটুন বিজিবি এবং প্রায় অর্ধশত র্যাব সদস্যও নির্বাচনী নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচনী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ২৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
মাদারীপুর-১ ও মাদারীপুর-২ আসনে ৭ জন করে এবং মাদারীপুর-৩ আসনে ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরাও নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন।














