সাতক্ষীরা-৩ আসনে দাড়ি পাল্লার পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন
নৌকার পাশে যারা ধানের শীষের কথা বলছে তারা পূর্বাবস্থায় ফিরতে চায়: আশাশুনির বিশাল জনসভায় এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার
- আপডেট সময় : ০৮:২৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান |
আশাশুনি,সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেছেন, নৌকার পাশে দাঁড়িয়ে যারা ধানের শীষের কথা বলছে, তারা মূলত দেশকে আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিতে চায়। তাদের হাতে দেশ কখনো দুর্নীতিমুক্ত হতে পারে না।
(০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রায় দুই হাজার মানুষের আত্মত্যাগ এবং প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষের পঙ্গুত্ববরণের মাধ্যমে দেশ নতুনভাবে স্বাধীনতার সুযোগ পেয়েছে। অতীতে দেশ কার্যত কারাগারে পরিণত হয়েছিল।
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, ঘরছাড়া ও জেলখানায় বন্দি করা হয়েছিল। মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ লুট করা হয়েছে।
মুহাদ্দিস রবিউল বাশার আরও বলেন, ছাত্রজনতার আন্দোলন দেশকে সেই দুঃশাসন থেকে মুক্ত করেছে। এখন সময় এসেছে দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজ ও ঘুষমুক্ত দেশ গড়ার। সৎ মানুষকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে পারলেই দেশ নতুনভাবে গড়ে উঠবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময়ে সাতক্ষীরার সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়েছে। রিয়াছাত সাহেবের পর আশাশুনি এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। আমরা আশাশুনিকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হক ও সহ-সেক্রেটারি ডা. রোকনুজ্জামান।
জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সদ্য জামায়াতে যোগদানকারী সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট এস এম সালাহ উদ্দীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল সহকারে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সভাস্থলে জড়ো হলে পুরো আশাশুনি সরকারি হাইস্কুল মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।














