ভ্রাতৃত্ব ও পেশাগত ঐক্যের বার্তায় সাংবাদিকদের দিনব্যাপী মিলনোৎসব
আনন্দ-স্মৃতিচারণে মুখর রাজশাহী প্রেসক্লাবের বার্ষিক মিলনমেলা ও বনভোজন
- আপডেট সময় : ০৮:০০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

ভ্রাতৃত্ব, স্মৃতিচারণ ও প্রাণবন্ত আড্ডায় উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বার্ষিক মিলনমেলা ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দিনব্যাপী রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ আয়োজনে জেলার সব উপজেলা ও মহানগরের সাংবাদিকরা অংশ নেন। সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে সহকর্মীদের সরব উপস্থিতিতে মিলনমেলাটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন সাংবাদিক মিলনোৎসবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান। তিনি বলেন, “সাংবাদিক সমাজ রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না। দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর মতে, এমন মিলনমেলা সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।
মিলনমেলার শুরুতেই রাজশাহী প্রেসক্লাবের প্রয়াত সাংবাদিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। বক্তারা তাঁদের অবদান স্মরণ করে বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বে গড়ে ওঠা তাঁদের কর্মজীবন নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, “১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী প্রেসক্লাব বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রেসক্লাব হিসেবে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও পেশাগত অধিকার রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ঐক্য ও সহমর্মিতার এই আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে বন্ধন আরও শক্তিশালী করবে।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু, রাজশাহী এডিটর ফোরামের সভাপতি ও সোনালী সংবাদ সম্পাদক লিয়াকত আলী, সোনার দেশ সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, আমাদের রাজশাহী সম্পাদক আফজাল হোসেন, আজীবন সদস্য আহাম্মেদ শোফি, সহ-সভাপতি সর্দার শরিফুল ইসলাম, রাজশাহীর আলো সম্পাদক আজিবার রহমান এবং সিনিয়র সাংবাদিক ওয়ালিউর রহমান বাবু।
বক্তারা বলেন, এমন মিলনমেলা পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ায়, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চাকে আরও গতিশীল করে। দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক আড্ডা, হাসি-আনন্দ ও পারিবারিক পরিবেশ মিলনমেলাটিকে স্মরণীয় করে তোলে।














