খুলনার লবণচরায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবক হত্যার ঘটনায় মঞ্জুরুল ইসলাম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ফারুক ও মাসুদুল ইসলাম কদর গ্রেপ্তার
টুঙ্গিপাড়ায় র্যাবের অভিযানে খুলনার জোড়া হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৪:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ, ২৪ আগস্ট ২০২৬: খুলনার লবণচরা এলাকায় আলোচিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মঞ্জুরুল ইসলাম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ফারুক (২১) ও মাসুদুল ইসলাম কদর (১৮)। র্যাব-৬ স্পেশাল কোম্পানির একটি আভিযানিক দল রোববার (২৩ আগস্ট) টুঙ্গিপাড়া থানার বর্ণি দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের খুলনার লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট খুলনা নগরীর লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবক হত্যার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার দিকে হরিণটানা এলাকার বালুর মাঠে মঞ্জুরুল ইসলামকে গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয়। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর একই এলাকার শিশুবাগান আশিবিঘা থেকে নাজমুল নামের আরেক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দুই হত্যাকাণ্ডের সময় ও বয়সের তথ্যে সামান্য ভিন্নতা রয়েছে।
ঘটনার পর লবণচরা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জোড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তের ধারাবাহিকতায় এর আগে র্যাব-৬ পৃথক অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি হিসেবে পরিচিত আলামিন হাসান ওরফে সাইফিসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি দক্ষিণপাড়া থেকে ফারুক ও মাসুদুল ইসলাম কদর গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আরও অগ্রগতি হলো। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।














