মাত্র দুই দিন আলো জ্বলার পরই নিভে গেছে বাতি; লোডশেডিং হলে পুরো এলাকা অন্ধকার, দ্রুত মেরামতের দাবি স্থানীয়দের
১৫ দিনেই অন্ধকার, কচুয়া পৌর বাজারের নতুন ল্যাম্পপোস্ট অকেজো
- আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে

কচুয়া,চাঁদপুর | ১২ আগস্ট ২০২৬: চাঁদপুরের কচুয়া পৌর বাজার, বিশ্বরোড ও হাসপাতাল সড়কে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিন আগে স্থাপন করা নতুন ল্যাম্পপোস্টের বাতিগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থাপনের পর মাত্র দুই দিন বাতিগুলো জ্বললেও এরপর থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়ক ও বাজার এলাকা অন্ধকারে রয়েছে।
নতুন ল্যাম্পপোস্ট দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, দোকানদার ও সাধারণ পথচারীরা। তাদের অভিযোগ, রাতে বিদ্যুৎ থাকলে দোকানপাটের আলোয় কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও লোডশেডিং শুরু হলে পৌর বাজার, বিশ্বরোড ও হাসপাতাল সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুটঘুটে অন্ধকারে তলিয়ে যায়।
অন্ধকারে ছিনতাইয়ের আতঙ্ক:
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের দাবি, পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকায় রাতের বেলায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। অন্ধকারের সুযোগে ছিনতাই বা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
বিশেষ করে রাতে হাসপাতালে যাতায়াতকারী রোগী, স্বজন ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। অপরিচিত ও অন্ধকার সড়কে পথচারীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন চালকরাও ঝুঁকিতে রয়েছেন।
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও নেই ল্যাম্পপোস্ট:
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্টে এখনো পর্যাপ্ত ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়নি। ফলে রাতের বেলায় এসব সড়কে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কচুয়া পৌর বাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা। প্রতিদিন সন্ধ্যার পরও এখানে মানুষের চলাচল থাকে। পাশাপাশি হাসপাতাল সড়ক হওয়ায় রাতেও রোগী ও স্বজনদের যাতায়াত রয়েছে। তাই এ এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি:
নতুন ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের অল্প সময়ের মধ্যেই বাতি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত নষ্ট বাতিগুলো মেরামত এবং প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, “কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, দ্রুত ব্যবস্থা নিন। এই অন্ধকার একদিন বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। কচুয়ার আলো ফিরিয়ে এনে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।





















