চট্টগ্রাম ০২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ পটিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, দুই প্রবাসীর ঘরে লুট: স্বর্ণ-নগদ টাকা ও সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ কচুয়ায় ২৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিয়ে অংশীজন সংলাপ জননিরাপত্তায় দক্ষ SWAT গড়তে চট্টগ্রামে বিশেষ প্রশিক্ষণ বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে কবি নজরুলের বিকল্প নেই: কটিয়াদীতে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’-এর উদ্বোধন

ছোট আলমপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা; বাড়ির পেছন থেকে উদ্ধার ৯ প্যাকেট খণ্ডিত মরদেহ, মাথা-পা এখনো নিখোঁজ

দেবিদ্বারে বাড়ির মালিককে হত্যার অভিযোগ, ৯ প্যাকেটে মিলল খণ্ডিত মরদেহ

এ.কে পলাশ, কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মরদেহের মাথা ও পা এখনো পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তাঁর বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।

আটক নারী লাইলী আক্তার ওই এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী। তিনি নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের বাড়ির একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ফরিদা ইয়াসমিন প্রায় ৩০ বছর ধরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ছোট আলমপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। তাঁর স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় ফরিদা ইয়াসমিন বাড়িতে একাই থাকতেন।

শনিবার সকালে তাঁর ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি।

পরে সন্ধ্যার দিকে ফরিদার বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনে মোড়ানো কয়েকটি প্যাকেট দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্যাকেটগুলোর মধ্যে ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহ রয়েছে।

তবে মরদেহের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা নিহতের বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়।

দেবিদ্বার থানা পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি রবিউল, সোহেল, ইমন ও তাঁর স্বামী আবুল কালাম আজাদের নাম উল্লেখ করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কারও নাম আসা মানেই ওই ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি নয়। তাদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাঁর মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ওসি বলেন, আটক লাইলী আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তদন্ত শেষে তা বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের মরদেহের নিখোঁজ অংশ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ছোট আলমপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা; বাড়ির পেছন থেকে উদ্ধার ৯ প্যাকেট খণ্ডিত মরদেহ, মাথা-পা এখনো নিখোঁজ

দেবিদ্বারে বাড়ির মালিককে হত্যার অভিযোগ, ৯ প্যাকেটে মিলল খণ্ডিত মরদেহ

আপডেট সময় : ১১:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মরদেহের মাথা ও পা এখনো পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তাঁর বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।

আটক নারী লাইলী আক্তার ওই এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী। তিনি নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের বাড়ির একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ফরিদা ইয়াসমিন প্রায় ৩০ বছর ধরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ছোট আলমপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। তাঁর স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় ফরিদা ইয়াসমিন বাড়িতে একাই থাকতেন।

শনিবার সকালে তাঁর ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি।

পরে সন্ধ্যার দিকে ফরিদার বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনে মোড়ানো কয়েকটি প্যাকেট দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্যাকেটগুলোর মধ্যে ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহ রয়েছে।

তবে মরদেহের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা নিহতের বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়।

দেবিদ্বার থানা পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি রবিউল, সোহেল, ইমন ও তাঁর স্বামী আবুল কালাম আজাদের নাম উল্লেখ করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কারও নাম আসা মানেই ওই ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি নয়। তাদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাঁর মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ওসি বলেন, আটক লাইলী আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তদন্ত শেষে তা বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের মরদেহের নিখোঁজ অংশ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।