রাতে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্রের হামলায় গুরুতর আহত শহিদুল ইসলাম নাডু; রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পরিবারের অভিযোগ
নাগেশ্বরীতে বাড়ি ফেরার পথে যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, ৭ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি
- আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় রাতে বাড়ি ফেরার পথে মো. শহিদুল ইসলাম নাডু নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
আহত শহিদুল ইসলাম বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের দাবি, তার শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় নাগেশ্বরী থানায় মামলা করা হলেও তদন্তে পুলিশের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে শহিদুল ইসলাম নাডু বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেটের বাম পাশে উপর্যুপরি আঘাত করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার একপর্যায়ে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারের সুযোগে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়দের দাবি।
পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় শহিদুলকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর নাগেশ্বরী থানায় মামলা করা হলেও সাত দিনেও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশ এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন বা তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।
এদিকে হামলার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুতর হামলার পরও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও মামলার তদন্তের অগ্রগতি, আসামি শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।














