মহিপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি আটক; অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান
মহিপুরে ব্যবসায়ী ইদ্রিস আকনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি সাব্বির গ্রেফতার, অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত
- আপডেট সময় : ০৮:১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) | ৪ আগস্ট ২০২৬ :
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে পূর্ববিরোধের জেরে ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিস আকন (৩৬)-কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. আল রুমান ওরফে সাব্বির (২২)-কে গ্রেফতার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে আলীপুর মাছ বাজার এলাকা থেকে পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত সাব্বির আলীপুর মৎস্য বন্দরের ব্যবসায়ী মো. আবুল হোসেন কাজী ওরফে আবুল কোম্পানির ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে দুলাল জোমাদ্দারের বাড়ির সামনে একটি মুদি দোকানের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ববিরোধের জেরে কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইদ্রিস আকনের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা চায়নিজ কুড়াল, হাতুড়ি, ধারালো দা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তার বাম হাতের কনুই ও কব্জির মাঝামাঝি অংশ, গোড়ালি ও পাঁজরে গুরুতর আঘাত এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়।
স্থানীয়রা আহত ইদ্রিস আকনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি ২৬ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় মো. আল রুমান ওরফে সাব্বিরসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে আলীপুর মাছ বাজার এলাকা থেকে প্রধান আসামি মো. আল রুমান ওরফে সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য: এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।














