দীর্ঘ ৩০ বছরের রাজনৈতিক পথচলা ও আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকার কথা তুলে ধরে নেতাকর্মীদের সমর্থন
ঝালকাঠি বিএনপির ত্যাগী নেতা অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিনকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ, পাশে নেতাকর্মীরা
- আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠিতে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্ব) অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন প্রায় তিন দশক ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি এর আগে ঝালকাঠি জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হিসেবেও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন বলে দলীয় নেতারা জানান।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন ১৯৯৫ সালে ওয়ার্ড পর্যায়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক এবং কাউন্সিলরদের ভোটে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।
দলীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে অ্যাড. মুবিন হামলা, নির্যাতন ও মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি পেশাগত জীবনেও নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হন।
নেতাকর্মীদের আরও দাবি, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক আন্দোলনেও অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন ঝালকাঠিতে সাংগঠনিক ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্টের পর স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সক্রিয় ছিলেন বলেও তারা জানান।
বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে কিছু ব্যক্তি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, এসব অপপ্রচারের প্রতিবাদ করায় অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিনকে লক্ষ্য করে নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
তবে নেতাকর্মীরা মনে করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দলের প্রতি অবদান অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিনকে ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখবে।




















