ইসরায়েল লক্ষ্য করে ইরানের ভারী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা; কঠোর সামরিক প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা: ইরানের ভারী মিসাইল হামলার দাবি
- আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর এবার সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে ‘তীব্র ও ভারী’ মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। একই সময়ে সৌদি আরব বলেছে, তাদের একটি তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে আসা দুটি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যদিকে বাহরাইন–এ বিমান হামলার সতর্কতা হিসেবে সাইরেন বাজানো হয়েছে। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত।
এদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই নৌপথে ইরান যে এক ডজনের বেশি সমুদ্র মাইন বসিয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে ১৬টি মাইন বসানোর নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ইরান যদি অবশিষ্ট মাইন অপসারণ না করে, তাহলে দেশটিকে এমন সামরিক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে ‘যা আগে কখনও দেখা যায়নি’।
এদিকে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এর আশপাশে দুটি ড্রোন পড়ে গেলে চারজন আহত হন বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত–এর মিডিয়া অফিস। তবে এই ঘটনার মধ্যেও বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
অন্যদিকে United Kingdom Maritime Trade Operations (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে একটি কার্গো জাহাজে আগুন ধরে যায়। যদিও জাহাজটির সব নাবিক নিরাপদে রয়েছেন এবং ঘটনাটি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগর থেকে ভারত মহাসাগরের দিকে যাওয়া এই সরু নৌপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে সংঘাত বৃদ্ধি পেলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।














