এমপিও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে শিক্ষা অফিসে লিখিত আবেদন, দীর্ঘদিনেও হয়নি তদন্ত
বাউফলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বৈত চাকরি ও বিকাশ ব্যবসার অভিযোগ, তদন্ত ও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুক আলামিনের বিরুদ্ধে একইসাথে একাধিক চাকরি ও বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো কোনো তদন্ত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি স্থানীয় একটি মসজিদে ইমামতি এবং বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, এটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও নীতিমালা ২০২১ এর ১.১৭(ক) ও ১.১৭(খ) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটি প্রথমে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ বাউফল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না হওয়ায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ পটুয়াখালী জেলা শিক্ষা অফিসেও পুনরায় অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক একইসাথে অন্য চাকরি বা ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন না। অথচ অভিযুক্ত শিক্ষক নিয়মিতভাবে একাধিক দায়িত্ব পালন করে সরকারি বিধিমালা অমান্য করছেন বলে দাবি করেন অভিযোগকারীরা।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক জানান, একজন শিক্ষক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণ সময় দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই প্রত্যাশা। কিন্তু তিনি একাধিক কাজে সম্পৃক্ত থাকায় শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ওমর ফারুক আলামিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন কিংবা প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিযোগকারীরা। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।





















