চট্টগ্রাম ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
নান্দাইলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি নেত্রকোণায় জমি বিরোধে হামলা-হুমকি, নষ্ট করা হলো আমনের চারা শিবচরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি, উঠল ঐক্যের ডাক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কটিয়াদীতে দুই দফায় র‌্যালি-সমাবেশ কুসরকের নতুন কমিটি প্রকাশ, নেতৃত্বে নাহিদ-জাকারিয়া ওষুধে মেয়াদ শেষ, খাবার তৈরিতে অনিয়ম; খুলনায় বড় অঙ্কের জরিমানা নাগেশ্বরীতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার নানা আয়োজনে হরিরামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ৭ হাজার একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে কার্যক্রম শুরু বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা—নিজ হাতে তৈরি জিলাপিতেই বদলে গেছে আসাদ আলীর জীবন

শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা: সিংড়ার আসাদের সফলতার গল্প

সারাদেশ৭১,নাটোর
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোরের সিংড়া উপজেলার এক তরুণ উদ্যোক্তা প্রমাণ করে দিয়েছেন—ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম থাকলে ছোট ব্যবসাও হতে পারে বড় সাফল্যের চাবিকাঠি। গরম গরম জিলাপি, পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া বিক্রি করে মাসে গড়ে ৪০ হাজার টাকার বেশি আয় করছেন আসাদ আলী (২৮)।

আসাদ আলীর বাড়ি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ২ নম্বর ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ গ্রামে। সিংড়া-বারুহাস সড়কের পাশে বিয়াশ চার মাথায় তার ছোট্ট দোকানটি স্থানীয়দের কাছে এখন বেশ পরিচিত। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ হাতে তৈরি করেন সুস্বাদু জিলাপি, পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া।

খাবারের মান, স্বাদ ও পরিচ্ছন্নতার কারণে দূর-দূরান্ত থেকেও ক্রেতারা ভিড় করেন তার দোকানে। মিলাদ, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আসাদের জিলাপির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একটি লম্বা টেবিল, দুটি বেঞ্চ, একটি চেয়ার, মাটির চুলা আর কালো পলিথিনের ছাউনির নিচে চলছে তার ব্যবসা। মাটির চুলায় গরম তেলে নিজ হাতে জিলাপি ভাজেন তিনি। সকালে জিলাপি আর বিকেলে পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া বিক্রি করেন।

প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা দোকান চালান আসাদ। প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার বিক্রি হয়। খরচ বাদ দিয়ে তার দৈনিক লাভ থাকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা।

এ বিষয়ে আসাদ আলী বলেন,

“আগে আমি শ্রমিকের কাজ করতাম। চার বছর ধরে এই ব্যবসা করছি। এক কেজি জিলাপি বানাতে খরচ পড়ে প্রায় ৯০ টাকা, বিক্রি করি ১৪০ টাকায়। কেজিতে লাভ থাকে ৫০ টাকা। আল্লাহর রহমতে ছোট ব্যবসা নিয়েই ভালো আছি।”

দোকানের নিয়মিত ক্রেতা তানজিল ইসলাম ও মনতাজুর রহমান বলেন,

“প্রায় প্রতিদিনই কাজ শেষে এখানে এসে গরম জিলাপি খাই। আসাদ ভাইয়ের জিলাপি খুবই মচমচে ও সুস্বাদু।”

এলাকার ব্যবসায়ী মৃদুল হাসান জানান,

“আসাদ আগে শ্রমিকের কাজ করত। এখন তার দোকানে সকাল-বিকাল ক্রেতার ভিড় থাকে। খাবারের মান ভালো হওয়ায় সবাই তার দোকানের খাবার পছন্দ করে।”

স্থানীয় তরুণদের জন্য আসাদ আলীর এই সাফল্যের গল্প অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা—নিজ হাতে তৈরি জিলাপিতেই বদলে গেছে আসাদ আলীর জীবন

শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা: সিংড়ার আসাদের সফলতার গল্প

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নাটোরের সিংড়া উপজেলার এক তরুণ উদ্যোক্তা প্রমাণ করে দিয়েছেন—ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম থাকলে ছোট ব্যবসাও হতে পারে বড় সাফল্যের চাবিকাঠি। গরম গরম জিলাপি, পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া বিক্রি করে মাসে গড়ে ৪০ হাজার টাকার বেশি আয় করছেন আসাদ আলী (২৮)।

আসাদ আলীর বাড়ি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ২ নম্বর ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ গ্রামে। সিংড়া-বারুহাস সড়কের পাশে বিয়াশ চার মাথায় তার ছোট্ট দোকানটি স্থানীয়দের কাছে এখন বেশ পরিচিত। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ হাতে তৈরি করেন সুস্বাদু জিলাপি, পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া।

খাবারের মান, স্বাদ ও পরিচ্ছন্নতার কারণে দূর-দূরান্ত থেকেও ক্রেতারা ভিড় করেন তার দোকানে। মিলাদ, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আসাদের জিলাপির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একটি লম্বা টেবিল, দুটি বেঞ্চ, একটি চেয়ার, মাটির চুলা আর কালো পলিথিনের ছাউনির নিচে চলছে তার ব্যবসা। মাটির চুলায় গরম তেলে নিজ হাতে জিলাপি ভাজেন তিনি। সকালে জিলাপি আর বিকেলে পিয়াজু ও সিঙ্গাড়া বিক্রি করেন।

প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা দোকান চালান আসাদ। প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার বিক্রি হয়। খরচ বাদ দিয়ে তার দৈনিক লাভ থাকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা।

এ বিষয়ে আসাদ আলী বলেন,

“আগে আমি শ্রমিকের কাজ করতাম। চার বছর ধরে এই ব্যবসা করছি। এক কেজি জিলাপি বানাতে খরচ পড়ে প্রায় ৯০ টাকা, বিক্রি করি ১৪০ টাকায়। কেজিতে লাভ থাকে ৫০ টাকা। আল্লাহর রহমতে ছোট ব্যবসা নিয়েই ভালো আছি।”

দোকানের নিয়মিত ক্রেতা তানজিল ইসলাম ও মনতাজুর রহমান বলেন,

“প্রায় প্রতিদিনই কাজ শেষে এখানে এসে গরম জিলাপি খাই। আসাদ ভাইয়ের জিলাপি খুবই মচমচে ও সুস্বাদু।”

এলাকার ব্যবসায়ী মৃদুল হাসান জানান,

“আসাদ আগে শ্রমিকের কাজ করত। এখন তার দোকানে সকাল-বিকাল ক্রেতার ভিড় থাকে। খাবারের মান ভালো হওয়ায় সবাই তার দোকানের খাবার পছন্দ করে।”

স্থানীয় তরুণদের জন্য আসাদ আলীর এই সাফল্যের গল্প অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।