জীবিকা নির্বাহ সহজ করতে জেলা পরিষদের উদ্যোগ; জুতা তৈরি ও মেরামতের কাজে নিয়োজিত কর্মজীবীদের হাতে তুলে দেওয়া হলো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম
জয়পুরহাটে রবিদাস সম্প্রদায়ের ১১৬ কর্মজীবীর মাঝে টুলবক্স ও ছাতা বিতরণ
- আপডেট সময় : ০৭:০৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাট | ১২ আগস্ট ২০২৬: জয়পুরহাটে রবিদাস সম্প্রদায়ের ১১৬ জন কর্মজীবীর মাঝে টুলবক্স, ছাতা, জুতা পরিষ্কারের সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে জেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রবিদাস সম্প্রদায়ের কর্মজীবীদের হাতে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার মোহাম্মদ রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. মুশফিকুর রহমান এবং জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মনজুরে মওলা পলাশসহ সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা রবিদাস সম্প্রদায়ের ১১৬ জন সুফলভোগীর মধ্যে টুলবক্স, ছাতা, জুতা পরিষ্কারের সামগ্রী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হয়। সুবিধাভোগীদের অধিকাংশই জুতা তৈরি, জুতা মেরামত ও জুতা পরিষ্কারের পেশার সঙ্গে যুক্ত।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রবিদাস সম্প্রদায়ের কর্মজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে জুতা তৈরি ও মেরামতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের প্রয়োজন মেটাচ্ছেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের কাজ করতে হয়। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও ছাতা তাদের কর্মপরিবেশ কিছুটা সহজ করার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহে সহায়ক হবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান বলেন, “রবিদাস সম্প্রদায়ের মানুষেরা আমাদের সমাজেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে থাকেন। তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও কর্মপরিবেশ সহজ করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কর্মজীবীরা যাতে আত্মমর্যাদার সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে রবিদাস সম্প্রদায়ের কর্মজীবীদের পেশাগত কাজে সহায়ক একটি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।




















