যশোরের শার্শা উপজেলার শ্যামলাগাছি লতিফিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের পরিচালক মিজানুর রহমান মিজান একটি হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আত্মহত্যা করার পর প্রতিষ্ঠানটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ঘটনার দুই দিন পর মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এতিমখানা ও মাদ্রাসার পাশে দাঁড়ালেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু।

রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল নিয়ে তিনি শ্যামলাগাছি লতিফিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসায় উপস্থিত হন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির এতিম শিশুদের সার্বিক দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু জানান, আজ থেকে এতিমখানা ও মাদ্রাসায় অবস্থানরত সকল এতিম শিশুর থাকা, খাওয়া, পড়াশোনা ও চিকিৎসাসহ যাবতীয় খরচ তিনি নিজ দায়িত্বে বহন করবেন।

তিনি বলেন, “এই শিশুরা কারও বোঝা নয়, তারা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের কষ্টের দিনে পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। যতদিন আল্লাহ শক্তি দেন, ততদিন আমি তাদের পাশে থাকবো।”

এ সময় এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা অ্যাডভোকেট মিন্টুর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের মতে, এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজের বিত্তবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।