রাজবাড়ীর পাংশায় পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়ায় সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে একচেটিয়া কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সান্তনা দাস কেবল নিজের প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে শিক্ষার্থীদের আবেদন সম্পন্ন করেছেন। এতে শিক্ষার্থীরা লটারিতে বাদ পড়লে অন্য কোনো স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন বলে অভিভাবকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
বিদ্যালয়ে এ পর্যন্ত ১২১টি আবেদন জমা পড়েছে এবং সব আবেদনই শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের নাম দিয়ে করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক সান্তনা দাস জানিয়েছেন, “আমরা শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠান চয়েস দিয়ে আবেদন করেছি। শিক্ষা অফিসার আপত্তি জানানোর পর নতুন করে আর আবেদন করছি না।”
পাংশা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, “প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে মিটিং করে বলা হয়েছে—আবেদনের সময় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় চয়েস বাধ্যতামূলক দিতে হবে। এতে লটারিতে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা অন্য কোনো চয়েসকৃত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।”
অভিভাবকরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সচেতন হতে এবং সরকারি নীতিমালা মেনে চলতে আহ্বান জানাচ্ছেন, যাতে শিক্ষার্থীরা বিকল্প বিদ্যালয়ের সুযোগ হারান না।