কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সাবেক পুলিশ সদস্যের ছেলে আলিফ শিকদার (২০)-এর বিরুদ্ধে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর বান্ধাবাড়ী গ্রামে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রীর বাবা-মা প্রবাসে থাকায় সে দাদা-দাদীর সঙ্গে বসবাস করে। ঘটনার রাতে দাদা-দাদী পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে আলিফ শিকদার সুযোগ বুঝে ঘরে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও আলিফকে আটক করে। পরে অভিযুক্তের বাবা হেলাল শিকদার ঘটনাস্থলে এসে প্রভাব খাটিয়ে তার ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হেলাল শিকদার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং কাউকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে হুমকি দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর দাদা বলেন, “আমার নাতনির বাবা-মা বিদেশে থাকেন। আমরা বাড়িতে না থাকায় আলিফ এই নোংরা কাজ করেছে। আমরা তার কঠিন বিচার চাই।”
এদিকে, অভিযুক্তের বাবা হেলাল শিকদার দাবি করেন, “মেয়েটি আমাদের আত্মীয়। ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিটমাট করে নেব।”
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, “ঘটনার অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সাবেক পুলিশ সদস্যের ছেলে আলিফ শিকদার (২০)-এর বিরুদ্ধে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর বান্ধাবাড়ী গ্রামে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রীর বাবা-মা প্রবাসে থাকায় সে দাদা-দাদীর সঙ্গে বসবাস করে। ঘটনার রাতে দাদা-দাদী পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে আলিফ শিকদার সুযোগ বুঝে ঘরে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও আলিফকে আটক করে। পরে অভিযুক্তের বাবা হেলাল শিকদার ঘটনাস্থলে এসে প্রভাব খাটিয়ে তার ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হেলাল শিকদার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং কাউকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে হুমকি দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর দাদা বলেন, “আমার নাতনির বাবা-মা বিদেশে থাকেন। আমরা বাড়িতে না থাকায় আলিফ এই নোংরা কাজ করেছে। আমরা তার কঠিন বিচার চাই।”
এদিকে, অভিযুক্তের বাবা হেলাল শিকদার দাবি করেন, “মেয়েটি আমাদের আত্মীয়। ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিটমাট করে নেব।”
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, “ঘটনার অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”