সুনামগঞ্জ | ২৪ আগস্ট ২০২৬ :
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় নবম শ্রেণির এক নাবালিকা শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে শাল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, শাল্লা উপজেলার ২ নম্বর হবিবপুর ইউনিয়নের চাকুয়া (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা রতিন্দ্র দাসের ১৫ বছর বয়সী মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ঘটনাটি ঘটে গত ২১ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে গ্রামের পাশের অপূর্ব কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। পথে একা থাকার সুযোগে একই গ্রামের কৃষ্ণ কান্ত দাসের ছেলে জয়ন্ত দাস (২৫) তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা রতিন্দ্র দাস গত ২২ আগস্ট শনিবার শাল্লা থানায় জয়ন্ত দাসকে অভিযুক্ত করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মেয়ের বাবার অভিযোগ, জয়ন্ত দাস বেশ কিছুদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে তার মেয়েকে উত্যক্ত করছিলেন। ঘটনার দিন কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর তিনি অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। তবে তারা জয়ন্ত দাস ও ওই শিক্ষার্থীর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রতিন্দ্র দাস বলেন, “আমার মেয়েকে প্রায়ই উত্যক্ত করা হতো। ২১ আগস্ট কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানতে পারি। আমি আমার মেয়েকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।”
অভিযুক্ত জয়ন্ত দাসের বাবা কৃষ্ণ কান্ত দাসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে এবং নিখোঁজ শিক্ষার্থী ও অভিযুক্তকে খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশি তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।