খুলনা | ২৩ আগস্ট ২০২৬ : জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় ও বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা কার্যালয়ের পৃথক ৭টি তদারকি অভিযানে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা, আলু, দেশি পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারদর এবং ক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়।
খুলনা মহানগরীর সদর থানার সাতরাস্তা ও নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট সংরক্ষণ ও ব্যবহারের অভিযোগে গরীব নেওয়াজ ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
যশোরের ঝিকরগাছা বাজারে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় সুজন ইলেকট্রনিককে ৩ হাজার টাকা এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় বিশাল স্টোরকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
খুলনা মহানগরীর শিরোমণি ও গিলাতলা বাজার এলাকায় অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অভিযোগে ইয়াদুল বেকারিকে ৪ হাজার টাকা এবং বাগাট দধি ঘরকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া সাতক্ষীরায় ফকির মিষ্টান্ন ভাণ্ডারকে ৫ হাজার টাকা, ঝিনাইদহে জেএফসি রেস্টুরেন্টকে ১৫ হাজার টাকা এবং নড়াইলের মেসার্স জাগ্রত ফুড প্রোডাক্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে মেহেরপুর সদর বাজারে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অভিযোগে ঢাকা কাচ্চি বিরিয়ানিকে ৩০ হাজার টাকা, জোছনা বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা এবং আল বারাকা লাইভ বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে বাজার তদারকি ও এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সেলিম রেজা তাজ | স্টাফ রিপোর্টার