গাইবান্ধা জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ড. মো. মনিরুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক আদেশ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ড. মো. মনিরুজ্জামানকে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই আদেশে নাটোর ও রংপুর জেলাতেও নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক হিসেবে ড. মো. মনিরুজ্জামান গাইবান্ধা জেলার সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবেও তিনি জেলার আইনশৃঙ্খলা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি এবং সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। ১৮ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাঁকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।

সরকারি স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের তালিকায় ড. মো. মনিরুজ্জামানকে পরিচিতি নম্বর ১৬৫৯৩-ধারী উপসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের ২৬ জুলাই ২০২৬-এর একটি সরকারি নথিতেও তাঁকে মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ড. মো. মনিরুজ্জামানের নতুন পদায়নের মধ্য দিয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনে নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম, সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভূমি ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ মোকাবিলা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে নতুন জেলা প্রশাসককে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

নতুন জেলা প্রশাসকের পদায়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গাইবান্ধার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের কার্যকর যোগাযোগ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বাড়বে—এমন প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাইবান্ধার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে ড. মো. মনিরুজ্জামানের দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।