চট্টগ্রাম | ১৩ আগস্ট ২০২৬ঃ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনরা।

তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানায় দায়িত্ব পালন করা মো. কামরুজ্জামান দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে যারা কাছ থেকে জানেন, তারা তাঁর দায়িত্ব পালনের বিষয়ে ইতিবাচক মূল্যায়ন করেন বলেও দাবি করেছেন তারা।

প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সিএমপির ইপিজেড থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামানকে আকবর শাহ থানায় বদলি করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সিএমপির উদ্যোগে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে আকবর শাহ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামানের উপস্থিতিতে ফিরোজশাহ কলোনির একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

ওসি কামরুজ্জামানের শুভাকাঙ্ক্ষীদের বক্তব্য, কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বা সমালোচনা থাকলে তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই এবং প্রমাণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা উচিত। যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হলে এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে।

তারা আরও বলেন, সমালোচনা করার অধিকার সবার রয়েছে। তবে সেই সমালোচনা হওয়া উচিত তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল। কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তা প্রচার করা সাংবাদিকতার নীতিমালা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ বিষয়ে ওসি কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ বা তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা। একই সঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাদের ভাষ্য,“সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলার সাহস আমাদের সবার থাকা উচিত। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ তা সামনে আনা হোক; কিন্তু যাচাই ছাড়া অপপ্রচার কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

তবে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যের বাইরে কোনো অভিযোগকে সত্য বা মিথ্যা হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য, নথি ও প্রমাণ যাচাই করা জরুরি বলে মনে করেন সচেতন মহল।