ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) সেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জানাজায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি অংশ নিতে পারেন।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ জনগণের প্রতি জানাজায় ব্যাপকভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এটি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
জানাজার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গ্র্যান্ড মোসাল্লা ফুল ও ব্যানারে সাজানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তেহরানের সরকারি ও বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজধানী তেহরানের আকাশসীমাও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আংশিক এবং পরে পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
সরকারি সূত্রের দাবি অনুযায়ী, জানাজায় দেড় কোটি থেকে দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এটি হবে ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় জানাজা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন। এছাড়া প্রতিবেশী ইরাক, আফগানিস্তান ও অন্যান্য দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
জানাজার পর খামেনির মরদেহ পরবর্তী ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য বিভিন্ন পবিত্র স্থানে নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।