সিলেট, বিশ্বনাথ | ২৬ জুন ২০২৬ : সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার একটি গ্রামে সরকারি রাস্তা বালু, পাথর ও ইট ফেলে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কামাল মিয়া। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত আফতাব মিয়ার ছেলে কামাল মিয়া গত ১৬ জুন বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলাফেরা করেন এবং আইন-কানুনের তোয়াক্কা করেন না।
অভিযুক্তরা হলেন—দৌলতপুর গ্রামের মৃত ছইল মিয়ার ছেলে আবুল খয়ের (৬৫), মৃত চান মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (৫৫), ফখরুল মিয়া (৪৫), মৃত আব্দুল মনাফের ছেলে কুদ্দুছ মিয়া (৫৫) এবং ফাহাদ মিয়া (২৮)।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় সরকারি রাস্তা দিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২টি পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত দৌলতপুর জামে মসজিদ, স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করেন। গত ১৬ জুন অভিযুক্তরা ওই সরকারি রাস্তার ওপর ঘর নির্মাণের উদ্দেশ্যে বালু, পাথর ও ইট ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা অভিযোগকারীদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে কেউ এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে মারধরসহ জানমালের ক্ষতি করারও হুমকি দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন মানুষ চলাচল করেন। এছাড়া মসজিদের মুসল্লি, স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও এই পথ ব্যবহার করেন। রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগটি থানায় গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।