চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পুরনো কোর্ট বিল্ডিংটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও অযত্নে পড়ে থেকে এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। একসময় যেখানে বিচার ও আইন কার্যক্রম পরিচালিত হতো, বর্তমানে সেখানে বিরাজ করছে নীরবতা, অযত্ন আর অব্যবস্থাপনা।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত সরকারি এই স্থাপনাটি বছরের পর বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিকল্পনার অভাবে কোটি টাকার সরকারি সম্পদ ধ্বংসের মুখে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের আশপাশে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে আছে। ভবনের দরজা-জানালার অনেকাংশ ভাঙা, দেয়ালে শ্যাওলা ও ময়লার দাগ। পরিত্যক্ত ভবনটি এখন যাত্রীদের অস্থায়ী বিশ্রামস্থল এবং ময়লা ফেলার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি এই স্থাপনাটি ফেলে না রেখে দ্রুত সংস্কার করে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা হোক। তারা এখানে পাবলিক লাইব্রেরি, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যুব উন্নয়ন অফিস, কমিউনিটি সেন্টার অথবা অন্যান্য জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “সরকারি সম্পদ জনগণের সম্পদ। অবহেলায় ধ্বংস না করে ভবনটি কাজে লাগানো হলে কচুয়ার সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।”
এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কচুয়ার সচেতন নাগরিকরা। স্থানীয়দের আশা, যথাযথ পরিকল্পনা ও সংস্কারের মাধ্যমে পরিত্যক্ত এই পুরনো কোর্ট বিল্ডিং আবারও জনসেবার কেন্দ্র হিসেবে প্রাণ ফিরে পাবে।