নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানার অভ্যন্তরে বিএনপি নেতার কথিত হুমকি, রাজনৈতিক উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য এবং জামায়াতের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বেগমগঞ্জ উপজেলা শাখা।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে সংগঠনটির প্রচার বিভাগ দাবি করে, গত ১৫ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভেতরে ঘাটলার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবু জায়েদ এবং সেক্রেটারি আবদুর রহীম উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাস উত্তেজনাপূর্ণ ভাষায় বিভিন্ন হুমকিমূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি পশ্চিমাঞ্চলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে সহিংসতার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করা হয়।

জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন, ওই সময় বারইচাতল বিএনপির নেতা হারুনের ইন্ধনে জামায়াতের এক কর্মীকে মারধর করা হয়, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং উদ্বেগজনক। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেগমগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, থানার ভেতরে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও ওসি নীরব ভূমিকা পালন করেছেন বলে তারা মনে করেন। এ ঘটনায় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

এ বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বেগমগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রচার বিভাগ।