নাসরিন আক্তার (রিমি), চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব আপেল মাহমুদ শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, মানবিকতা ও পর্যটন শিল্পের বিকাশেও নজির স্থাপন করেছেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের নেতৃত্বে থেকে দেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে তিনি দেশের পর্যটন শিল্পের প্রকৃত অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন।
তার এই অসামান্য অবদানের জন্য তিনি গ্রীন লাইফ অ্যাওয়ার্ড, বিজিসিফ অ্যাওয়ার্ড, নেপাল ও ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। গ্রীন লীফ পরিবারও তার এই ভূমিকার প্রশংসা করেছে।
মানবিকতার ক্ষেত্রেও আপেল মাহমুদ এক উজ্জ্বল নাম। করোনা মহামারির সময় তিনি নিজ হাতে অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। নিজের দায়িত্বপালনের পাশাপাশি সমাজের হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন তিনি।
তিনি বলেন, “মানুষের বিপদের সময় পাশে থাকা-ই প্রকৃত মানবতা। আমি কোনো জনপ্রতিনিধি হতে চাই না, আমি শুধু মানুষের দুঃসময়ের বন্ধু হতে চাই।”
সচেতন মহল মনে করছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আপেল মাহমুদ বাংলাদেশের পুলিশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করেছেন। তার এই মানবিক ও পেশাদারিত্বপূর্ণ ভূমিকা ভবিষ্যতে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে বলেও আশা করা হচ্ছে।