চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন রবিউল হক। তাঁর আগমনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপের ব্যাপারে আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নবনিযুক্ত ওসি রবিউল হক এর আগে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ থানায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি শরীয়তপুরের ডামুড্ডা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি চাঁদপুর থানার ওসি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

দায়িত্ব পালনকালে তাঁর কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতি হিসেবে চাঁদপুর জেলায় টানা চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন তিনি। পুলিশ বিভাগের ভেতরে তাঁর কঠোরতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সুনাম রয়েছে।

কর্মজীবনের শুরুতে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় এসআই হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রবিউল হক। ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় তিনি একটি আলোচিত ঘটনায় জড়ান, যেখানে ছাত্রলীগের তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি নুরুল আজম রনিকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেন এবং মামলার বাদী হন।

এছাড়াও ২০২১ সালে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ওসি (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই মির্জা কাদেরকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে প্রহার করার ঘটনা ব্যাপক আলোচনায় আসে।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, রবিউল হকের অভিজ্ঞতা, দৃঢ়তা এবং কঠোর অবস্থান বাঁশখালীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে তাঁর কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।