ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ এপ্রিল ২০২৬ :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইন” নামে একটি সামাজিক সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন, যা জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শহরের মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী মো. জুনায়েদ মিয়া সম্প্রতি এক ব্যক্তিকে বিশ্বাস করে তার মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ৩ হাজার টাকা দেন। পরে ওই ব্যক্তি কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে তার দোকানে এসে উল্টো তাকে মিথ্যা অভিযোগে জড়ানোর চেষ্টা করে।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা জুনায়েদ মিয়াকে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে অপমান করে এবং পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
ভুক্তভোগী জুনায়েদ মিয়া বলেন, “আমি সরল বিশ্বাসে তাকে টাকা দিয়েছিলাম। পরে তারা পরিকল্পিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। এখন আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইন” নামের একটি ফেসবুকভিত্তিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের মধ্যে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া ও রবিনসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গোলাম কিবরিয়া বলেন, “একটি মহল প্রতিহিংসাবশত আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সামাজিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে যদি কেউ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তবে তা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।