ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রীষ্মকালীন বারি পেঁয়াজ-৫ জাতের বীজ উৎপাদন বিষয়ে কৃষকদের অংশগ্রহণে এক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্ভাবিত এই জাতটি কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) পার্টনার প্রোগ্রাম (বিএআরআই অংশ) এর অর্থায়নে এবং ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি গবেষণা উপ-কেন্দ্রের বাস্তবায়নে এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই)-এর মহাপরিচালক মুহাম্মদ আতাউর রহমান। তিনি বলেন, বারি পেঁয়াজ-৫ একটি উন্নত ও লাভজনক জাত, যা গ্রীষ্ম মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি গবেষণা উপ-কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সরকার মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএআরআই এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. জগদীশ চন্দ্র বর্মন, দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রিয়াজ উদ্দীন, ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম এবং বগুড়া শিবগঞ্জ বিএআরআই মসলা গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাসুদ আলম।
বক্তারা বলেন, বারি পেঁয়াজ-৫ জাতটি উচ্চ ফলনশীল এবং গ্রীষ্মকালীন প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও ভালো ফলন দিতে সক্ষম। এর বীজ উৎপাদন পদ্ধতি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মাঠ দিবসে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের এই নতুন জাতের বীজ উৎপাদন কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং তাদেরকে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বারি পেঁয়াজ-৫ জাতের সম্প্রসারণ দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।