পিরোজপুরঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাবীর হাতে দেবর খুনের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের দওপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি সুমন মিয়া (সমান মিয়া নামেও পরিচিত), তিনি ওই এলাকার গোলাপ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি এনজিওর কর্মকর্তা বাড়ির সামনে মোটরসাইকেল রাখতে চাইলে এ নিয়ে সুমন মিয়া ও তার ভাবি (চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী) রোমানা আক্তারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা তীব্র রূপ নেয়।

বিতর্কের এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রোমানা আক্তার প্রথমে গাছের ডাল দিয়ে সুমনকে আঘাত করেন। পরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হত্যাকাণ্ডের আলামত সংগ্রহ করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রোমানা আক্তার পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তের শাশুড়ি বানু বেগমকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।