এ.কে পলাশ | কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ 

কুমিল্লায় ভেজাল মরিচ গুঁড়া তৈরির অভিযোগে এক মসলার মিল মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের দায়ে একটি রেস্টুরেন্টকেও জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বাখরাবাদ ও কুচাইতলি এলাকায় রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মসলার মিল ও রেস্টুরেন্টে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়।
অভিযানে দেখা যায়, কিছু ভালো মরিচের সঙ্গে অধিক পরিমাণ নষ্ট ও পোকায় খাওয়া মরিচ মিশিয়ে মরিচ গুঁড়া তৈরির কাজ চলছিল। ক্রাশিং বা ভাঙানোর সময় অভিযানের টিম হাতে-নাতে বিষয়টি ধরে ফেলে। এছাড়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নোংরা ফ্লোরে হলুদের গুঁড়া ও মরিচের গুঁড়া সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছিল।

এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী “আল-আমিন ফুড গ্রেইন মসলার মিল”-কে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া বাখরাবাদ এলাকার “বাখরাবাদ মাটির হাড়ি” নামের একটি রেস্টুরেন্টে বাসি পরটার খামির সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুইটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. জুয়েল মিয়া, স্যাম্পল কালেক্টর মো. নাজমুস সাকিব এবং অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।