বরগুনার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ভোড়া কালিকাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা রাসেল, সাবাবুদ্দিন ও রিয়াদ যৌথ উদ্যোগে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ করে এলাকায় নজির স্থাপন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, চলতি মৌসুমে তারা আধুনিক পদ্ধতিতে উন্নত জাতের তরমুজ আবাদ করেছেন।
চাষি রাসেল জানিয়েছেন, প্রতি একরে গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ মণ পর্যন্ত তরমুজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে পাইকাররা ক্ষেত থেকে তরমুজ কিনতে আসলেও ভালো দামের জন্য এখনো বিক্রি শুরু হয়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী। সঠিক সময়ে বীজ বপন, জৈব সার ব্যবহার ও নিয়মিত পরিচর্যার কারণে ভালো ফলন এসেছে। এটি অন্যান্য কৃষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদ্দাম হেসেন আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় চাহিদা পূরণসহ অন্যান্য উপজেলায়ও তরমুজ সরবরাহ সম্ভব হবে। তরমুজ চাষে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।
চাষি রিয়াদ বলেন, “পরিশ্রম এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে কৃষিতে সফলতা অর্জন সম্ভব। আগামী মৌসুমে আরও বেশি জমিতে তরমুজ চাষের পরিকল্পনা রয়েছে।”
বেতাগীর এই তিন ভাইয়ের উদ্যোগ গ্রামবাংলায় আধুনিক কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার গল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।