এ.এস.এম হামিদ হাসান |
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অপর একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের হেদায়াতুল্লাহ হাদী (রিকশা) পান ৯৯ হাজার ৪৮৮ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল ইসলাম মোড়ল (দাঁড়িপাল্লা) পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬১ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে ড. ওসমান ফারুক ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. জেহাদ খান (দাঁড়িপাল্লা) পান ১ লাখ ১ হাজার ২৭৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোকন রেজা (দাঁড়িপাল্লা) পান ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল (হাঁস প্রতীক) ৭৯ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ এহসানুল হুদা (ধানের শীষ) পান ৬৬ হাজার ১১৮ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে মো. শরীফুল আলম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৩ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হন।
তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন (রিকশা) পান ৪২ হাজার ৫৫৫ ভোট। তিনি ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৮ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস লক্ষ্য করা গেছে।