ধারাবাহিক ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ রবিবার সকাল ৮টা থেকে চার দফা দাবিতে পূর্ণ ধর্মঘট শুরু করেছে। এর ফলে বন্দরে রপ্তানি পণ্যবাহী লরির দীর্ঘ জট সৃষ্টি হয়েছে।

বন্দর এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। বন্দরের মূল জেটিতে ১২টি জাহাজ এবং বহির্নোঙরে অর্ধশতাধিক পণ্যবাহী জাহাজ থেকে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

প্রধান দাবিগুলো হলো:

নিউমুরিং টার্মিনাল (NCT) ডিপিওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়ার ঘোষণা,

বর্তমান বন্দর চেয়ারম্যানকে দ্রুত প্রত্যাহার,

আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল,

ভবিষ্যতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না,

বিজিএমইএর নেতারা সতর্ক করেছেন, বন্দরের অচলাবস্থা দেশের অর্থনীতি প্রভাবিত করছে। প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।