তিন বছর পর দেশে প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে আবার পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রমের মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিমার্জনের অংশ হিসেবে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে ধারাবাহিক মূল্যায়নও একই সঙ্গে বজায় থাকবে। প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পরিচালিত বিষয়ের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ধারাবাহিক এবং ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যকর হবে। যেখানে কেবল শিক্ষক সহায়িকা ব্যবহৃত হবে, সেখানে ১০০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে।
এছাড়া তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পাঠ্যপুস্তকের ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ ধারাবাহিক ও ৭০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন চালু থাকবে। প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করবে। প্রয়োজনে নিকটবর্তী একাধিক বিদ্যালয় যৌথভাবে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করতে পারবে।
প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে মূল্যায়ন ব্যবস্থা আগের মতোই শূন্যই থাকবে। নতুন এই নির্দেশনা ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর হবে।