লুৎফর সিকদার |
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

আজ শুক্রবার পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবেমেরাজ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক ঐতিহাসিক ও অলৌকিক ঘটনা সংঘটিত হয়।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগি, নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ও দোয়ার মাধ্যমে রাতটি যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করছেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে মহান আল্লাহর বিশেষ নির্দেশে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) পবিত্র মক্কার কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি নবীদের জামাতে ইমামতি করেন।

এই ঘটনাকে পবিত্র কোরআনের ভাষায় ‘ইসরা’ বলা হয়।
এরপর মহানবী (সা.) ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত।এ সফরে তিনি সিদরাতুল মুনতাহা,বেহেশতের নদীসমূহ এবং ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মামুর পরিদর্শন করেন। পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার সাক্ষাৎ লাভ করেন।
উল্লেখ্য, মেরাজের এই ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়েই মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়। প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ আদায়ের বিধান এই রাতেই মহানবী (সা.) উম্মতের জন্য নিয়ে আসেন।

পবিত্র এই রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত ও মাগফিরাত কামনায় মুসলমানরা মসজিদ, বাসা ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নফল নামাজ, কোরআনখানি, জিকির-আজকার ও বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নিচ্ছেন।

এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।