লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় গত বছরের তুলনায় এবারে দ্বিগুণ তামাক চাষ হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কৃষক ও কষক শ্রমিকরা ভার্জিনিয়াল ও স্থানীয় জাতের তামাক চাষে নিজেদের জমি ভরিয়ে তুলেছেন।
দুর্গাপুর ইউনিয়নের কৃষক শ্রীনলিচন্দ্র বর্মন (৪৩) জানান, “গতবার দুই বিঘা জমিতে তামাক চাষে খরচ হয়েছিল ২০ হাজার টাকা, বিক্রি হয়েছিল ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এবারে জমি বাড়িয়ে তিন বিঘা চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও লাভবান হওয়া সম্ভব।”
ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের সুনীল চন্দ্র মিস্ত্রি (৩২) বলেন, “ধানের তুলনায় তামাক চাষে লাভ বেশি। আমরা সাড়ে তিন বিঘা জমিতে ভার্জিনিয়াল ও স্থানীয় জাতের তামাক চাষ করেছি। খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা, এবং আবহাওয়া সহায়ক থাকলে এবারও ভালো লাভের আশা করছি।”
আদিতমারী উপজেলার ৪ নং ওয়ার্ডের মোঃ শরিফ উদ্দিন (৩২) জানান, “সীমান্ত এলাকার মানুষ তামাক চাষের ওপর নির্ভরশীল। লাভজনক হওয়ায় কেউ চাষ বাদ দিচ্ছে না। এবারে দ্বিগুণ জমিতে চাষ হয়েছে।”
ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ জমসের আলী (৫৩) বলেন, “তামাক চাষে যেমন ক্ষতি রয়েছে, তেমনি কৃষকের জন্য লাভজনকও। সীমান্ত এলাকায় তামাক চাষ নিষিদ্ধ হলেও কৃষকরা লাভজনক মনে করে এ চাষ থেকে বিরত হচ্ছে না।”
তামাক চাষে এই বেড়ে যাওয়া প্রবণতা সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অর্থনীতি ও কৃষি জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।