ফারুকুর রহমান বিনজু | পটিয়া,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৮৯ (চট্টগ্রাম-১২, পটিয়া) আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর বিকাল ৫টায় শেষ হয়। এই সময়ের মধ্যে পটিয়া উপজেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে ১১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পটিয়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন মোট ১৫ জন প্রার্থী, যার মধ্যে ১১ জন ফরম জমা দিয়েছেন।মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন:

  1. মোহাম্মদ এনামুল হক, কৈয়গ্রাম, জিরি (বিএনপি)
  2. এম এয়াকুব আলী, উত্তর হরিণ খাইন (এলডিপি)
  3. মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, মনসা (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)
  4. এস এম বেলাল নুর, পশ্চিম চরকানাই (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
  5. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডেংগাপাড়া (জাতীয় পার্টি)
  6. ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ডেংগাপাড়া, দঃভূর্ষী (জাতীয় পার্টি)
  7. মোহাম্মদ আবু তাহের হেলালি, হুলাইন (ইনসানিয়াতবিপ্লব)
  8. সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু, বড়লিয়া (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)
  9. সৈয়দ সাদাত আহমদ, উত্তরা, ঢাকা (স্বতন্ত্র)
  10. এমদাদুল হাসান, কচুয়াই (গণ অধিকার পরিষদ)
  11. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন হিরু, খানমোহনা, দঃভূর্ষী (স্বতন্ত্র)

যারা মনোনয়নপত্র জমা দেননি তারা হলেন:

গাজী শাহজাহান জুয়েল (বিএনপি),সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু (বিএনপি),গাজী সিরাজুল ইসলাম (বিএনপি),নুরুচ্ছফা সরকার (জাতীয় পার্টি)

এদিকে নির্বাচনী মাঠে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে জামায়াতে ইসলামী ও এলডিপি’র মধ্যে জোট বিষয়ে অনিশ্চয়তা। উভয় দলই নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছে, ফলে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও কৌতূহল তৈরি হচ্ছে।

বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তবে একাংশের মধ্যে তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিও উঠেছে। স্থানীয় তৃণমূল বাসীর মধ্যে এখনো পরিবর্তনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পটিয়ার এই আসনে ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীদের প্রচেষ্টা তীব্র হবে এবং ভোটারদের উপস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।