এ.কে. পলাশ, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য কুমিল্লার ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার বিকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার, এবং উপজেলা পর্যায়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মু. রেজা হাসান রাত ১১টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রতিটি আসনে জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা): বিএনপি ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, জামায়াত মনিরুজ্জামান বাহালুল, স্বতন্ত্র আবু জায়েদ আল মাহমুদ, খেলাফত মজলিস সৈয়দ আবদুল কাদের সহ ১১ জন।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস): বিএনপি অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, জামায়াত মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম সহ ১০ জন।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর): বিএনপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, জামায়াত মোঃ ইউসুফ সোহেল, বাংলাদেশ কংগ্রেস মোঃ খোরশেদ আলম সহ ৯ জন।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার): বিএনপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী, এনসিপি হাসনাত আব্দুল্লাহ, গণঅধিকার পরিষদের মো. জসীম উদ্দিন সহ ৮ জন।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া): বিএনপি জসিম উদ্দিন, জামায়াত ড. মোবারক হোসেন, এবিপি ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুঁইয়া সহ ১০ জন।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর): বিএনপি মনিরুল হক চৌধুরী, স্বতন্ত্র আমিনুর উর রশিদ ইয়াছিন, জামায়াত কাজী দ্বীন মোহাম্মদ সহ ১১ জন।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা): বিএনপি ড. রেদোয়ান আহমেদ, স্বতন্ত্র আতিকুল আলম শাওন, মুক্তিজোট সজল কুমার কর সহ ৭ জন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া): বিএনপি জাকারিয়া তাহের সুমন, জামায়াত সফিকুল আলম হেলাল, জাতীয় পার্টি এইচ এম এম ইরফান সহ ১০ জন।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ): বিএনপি আবুল কালাম, স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা, জামায়াত ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী সহ ১৩ জন।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই): বিএনপি আবদুল গফুর ভুঁইয়া, স্বতন্ত্র মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া, জামায়াত মো. ইয়াসিন আরাফাত সহ ৯ জন।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম): ইসলামী আন্দোলন মহিউদ্দিন শহিদ, মুক্তিজোট মোহাম্মদ ইউসুফ, বিএনপি কামরুল হুদা সহ ৮ জন।
এছাড়া প্রতিটি আসনে অন্যান্য স্বতন্ত্র ও ছোট দলের প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মু. রেজা হাসান জানিয়েছেন, সকল প্রার্থী মনোনয়নপত্র যাচাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত হবে।