খুলনার কয়রা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল্লাহ আল মামুনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তিনি আশঙ্কাজনক ও অচেতন অবস্থায় থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মেহেদি হাসান (১৭) এবং তার বাবা জাহাঙ্গীর ওরফে ইয়ার আলী মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা মামলার বিস্তারিত তথ্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রাথমিকভাবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হলেও এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, হামলায় কতজন অংশ নিয়েছিল এবং কী ধরনের অস্ত্র বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া ২০২৬ সালের জুলাইয়ে কয়রায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ কর্মসূচির খবরও প্রকাশিত হয়েছে, যা উপজেলায় সংগঠনটির সক্রিয় সাংগঠনিক উপস্থিতির বিষয়টি নির্দেশ করে।
হামলার ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে হামলার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং গ্রেপ্তারের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ওয়েবসাইটঃ www.saradesh71.com, নিউজ রুমঃ news@saradesh71.com
কপিরাইট স্বত্ব © সারাদেশ একাওর নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়া