নড়াইল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম রানাকে মারধর করা হয়েছে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতা ভিডিওটিকে ভুয়া দাবি করে বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি নড়াইল শহরেই অবস্থান করছিলেন এবং তাকে মারধরের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
জানা যায়, শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত থেকে ফেসবুকে একটি সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে কয়েকজন ব্যক্তিকে একজনকে মারধর করতে দেখা গেলেও ভুক্তভোগীর মুখ স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায় না। ভিডিওর সঙ্গে এমন একটি ক্যাপশন যুক্ত করা হয়, যাতে দাবি করা হয় এটি আমিরুল ইসলাম রানাকে মারধরের ঘটনা। পাশাপাশি তাকে নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্যও করা হয়।
আমিরুল ইসলাম রানা অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে গুজব সৃষ্টি করেছেন।
তিনি বলেন, "আমি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাসায় ছিলাম। পরে জুমার নামাজ আদায় করি। এরপর শহরে আমাদের সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে আলাদাতপুর, ভওয়াখালীসহ আশপাশের এলাকায় সময় কাটিয়ে রাত প্রায় ১০টার দিকে বাসায় ফিরি। বাসায় এসে জানতে পারি, আমাকে নাকি লোহাগড়া বাজারে মারধর করা হয়েছে—এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।"
রানা আরও দাবি করেন, এটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। তবে তার এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওতে মারধরের দৃশ্য দেখা গেলেও সেখানে থাকা ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অযাচাইকৃত ভিডিও ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তথ্য যাচাই ছাড়া এমন পোস্ট শেয়ার করলে গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
ওয়েবসাইটঃ www.saradesh71.com, নিউজ রুমঃ news@saradesh71.com
কপিরাইট স্বত্ব © সারাদেশ একাওর নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়া